জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে কোরবানির পশুর হাটে মহিষের আক্রমণে মজিবুর রহমান ও রুহুল আমিন নামে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।
জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে গতকাল সোমবার রাতে মুজিবুর রহমান মারা যান।
এর আগে গত রবিবার বিকালে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চর আমখাওয়া ইউনিয়নের সানন্দবাড়ী কোরবানির পশুর হাটে মহিষের আক্রমণে রুহুল আমিন নিহত হন। একই ঘটনায় মজিবুর রহমানসহ কয়েকজন আহত হন।
রহুল আমিন কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলার জাউনিয়ার কড়াইডাঙ্গীপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ও মজিবুর রহমান সানন্দবাড়ী এলাকার চর মাদার গ্রামের মৃত নুর মোহাম্মদের ছেলে।
দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনোয়ার হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, গত ২৪ মে রবিবার স্থানীয় আকন্দপাড়া গ্রামের এক ব্যক্তি বিক্রির উদ্দেশ্যে একাধিক মহিষ নিয়ে সানান্দবাড়ী হাটে আসেন। হাটে আসার পর তার একটি মহিষ হঠাৎ বিগড়ে গিয়ে অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করে। মহিষটি পাগলের ন্যায় হাটের মধ্যে এলোপাথাড়ী ছুটাছুটি করে এবং হাটুরে মানুষদের আক্রমণ করে।
মহিষের আক্রমণ থেকে বাঁচতে হাটে থাকা মানুষজন আতঙ্কে দৌড়াদৌড়ি শুরু করেন। এ সময় রাজিবপুর উপজেলার জাউনিয়ার কড়াইডাঙ্গীপাড়া গ্রামের রুহুল আমিনসহ অন্তত ছয়জন মহিষের আক্রমণে করে আহত হন। গুরুতর আহত রুহুল আমিনকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মুজিবুর রহমানের মৃত্যু হয়।
ওসি আনোয়ার হোসেন বলেন, “মহিষের আক্রমণে আহত মজিবুর রহমান চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুইজনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় থানায় কেউ অভিযোগ করেনি”।

