ইউল্যাব ছাত্রীর আত্মহত্যা: আসামিকে পুলিশে দিল জনতা

 

ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের (ইউল্যাব) শিক্ষার্থী তানহা বিনতে বাশারের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত প্রেমিক আনিল ফয়সাল সায়মনকে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা।


সোমবার (২৩ মার্চ) রাত ৮টার দিকে কুমিল্লা স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে আটক করে বিক্ষুব্ধ জনতা। পরে তাকে কুমিল্লা কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।


সায়মানকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদ আনোয়ার।


ইউল্যাবের শিক্ষার্থী আনিল ফয়সাল সায়মন কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার বনকরা গ্রামের মৃত হেলাল উদ্দিনের ছেলে। তার পরিবার নগরীর টমছম ব্রিজ এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। তানহা বিনতে বাশার একই জেলার বুড়িচং উপজেলার কুসুমপুর গ্রামের আবুল বাশার ভূঁইয়ার মেয়ে এবং একই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন।


পুলিশ জানায়, গত বছরের ৩ নভেম্বর বিকেলে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের নবীনগর হাউজিংয়ে স্বপ্নচূড়া ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে তানহার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ৬ নভেম্বর তার প্রেমিক সায়মনকে আসামি করে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় একটি মামলা করেন তানহার বাবা আবুল বাশার।


তানহার বাবা আবুল বাশার বলেন, ‘আমার মেয়েকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা ও সহায়তার অপরাধে সায়মনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানায় একটি মামলা করেছি। সায়মন গত বছরের নভেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এক মাসের জন্য উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিন নেয়। এরপর সে আদালতে আত্মসমর্পণ করেনি।

তিনি আরও বলেন, ‘সোমবার রাত ৮টার দিকে তানহার কয়েকজন সহপাঠী ও এলাকার বিক্ষুব্ধ লোকজন কুমিল্লা স্টেডিয়ামের কাছে সায়মনকে আটক করে কুমিল্লা কোতয়ালি থানায় নিয়ে যায়। আমার মেয়ে আত্মহত্যার পেছনে সায়মন পুরোপুরি দায়ী। আমি একজন বাবা হয়ে এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।’

ওসি তৌহিদ আনোয়ার বলেন, ‘সাধারণ জনগণ কুমিল্লা স্টেডিয়াম এলাকা থেকে সায়মনকে আটক করে থানায় নিয়ে এসেছে। তার বিরুদ্ধে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানায় মামলা আছে। আমরা আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে মোহাম্মদপুর থানায় হস্তান্তর করব।’

ছাত্র কন্ঠ/তৌফিক

নবীনতর পূর্বতন